দৃশ্যমান এ প্রকৃতির মাঝে
অদৃশ্যের কী বন্ধন আছে(?)
মহাবিশ্বভ্রম্মান্ড কী এক গুপ্ত সাজে,
প্রকাশ্য প্রতিচ্ছবি যুগে যুগে
মানুষ নামক এক সৃষ্টির কাছে।
অসীম আকাশ,সসীম দৃষ্টির মাঝে
নক্ষত্রলোক আলোকবর্ষে
কোন্ মহাশক্তির সঙ্গোপনে
প্রকাশ্য প্রতিচ্ছবি অন্বেষণে ,
ঊর্দ্ধ গমন নিম্ন আগমন –
মানুষ নামক এক সৃষ্টির কাছে।
মহাধ্বংসের পটভূমিকায় অনির্বাণ
ক্ষয়িষ্ণু জীবন ধারায়
মহাশক্তি প্রদত্ত জীবনিশক্তি নয় ক্ষয়!
সে তো বিবর্তনে বদলে যায়।
দিবস রজনী অতিক্রান্ততায়
কোন্ মহাশক্তির যেন এক ইশারায়
একই অঙ্গ প্রত্যঙ্গ
কত ভিন্নে বদলায়!
ঈষাণ-ণৈঋত-ঊর্দ্ধ-অধ:
অদৃশ্য বন্ধন- অদৃশ্যে অক্ষত
নিবিড় অন্বেষণ আত্মসাধন,
অকারণ অন্বেষণ-গুপ্ত বাহন!
জাগতিক অন্বেষণ প্রতীক্ষায়
অজাগতিক মহাশক্তির উপেক্ষায়
জীবনের বুকে স্বাত্মান্বেষণ,
যেন অন্তরালেই রয়ে যায়!
![Validate my RSS feed [Valid RSS]](valid-rss-rogers.png)
একই অঙ্গ প্রত্যঙ্গ
কত ভিন্নে বদলায়!
সুন্দর লিখেছেন ।এরকম আরো চাই ।
ধন্যবাদ মান্না ভাই।প্রথম মন্তব্য আপনার কাছ থেকে পেয়ে খুব ভাল লাগল।…. দিবস রজনীর অতিক্রান্ততায় দেহটা যখন সুস্হ্য থাকে, তখন কত না আনন্দ…! ছোটবেলার সারাদিন খেলা অথবা আজ নিত্য কর্ম।যখন দেহটা অসুস্হ্য হয়ে ওঠে দিনে দিনে,তখন তা কেবল নিজের মাঝেই দৃশ্যমান ,নিজ ব্যতীত অন্য কোথা হয়ে ওঠে তা অ-দেখা কিংবা হাস্যকর। অজাগতিক বন্ধনের মাঝে দেহ তথা theories of mind:materialistic/empirical নয় ,স্বাত্মান্বেষণ’টা-ই আমার কাছে, আমার প্রকৃত জীবন।
আপনাকেও ধন্যবাদ ।আপনার জীবন দর্শনটা চমত্কার ।
দারুন